কুশা উদ্ভিদ
বৈজ্ঞানিক নাম-Desmostachya bipinnata
শারাসঃ কুশারাসো দর্ভাসঃ সৈর্যা উত।
মৌন্জা অদৃষ্টা বৈরিণাঃ সর্বে সাকং ন্যলিপ্সত।।
(ঋগ্বেদ ১.১৯১.৩)
অনুবাদ-সেই বিষযুক্ত জীবানুগুলো লুকিয়ে আছে লতাপাতায়,পুকুরে ও ডোবায়।কুশা এর রস পারে তাদের ধ্বংস করতে।
আধুনিক বিজ্ঞান থেকে আমরা জানি যে নোংরা উদ্ভিজ্জ খাদ্যে ও অপরিস্কার পানিতে থাকে রোটা ভাইরাস,E.histolytica প্যারাসাইট যেগুলো মানুষের অন্ত্রে গিয়ে বিষ নিঃসরন করে যার ফলে ডায়রিয়া,ডিসেন্ট্রি হয়ে থাকে।
কুশা(Demostachya bipinnata),একটি কোঁকড়ানে ঘাস প্রজাতি যার মূল কিছুটা মোটা,মধ্যকান্ড খাড়া।পাতা সড়ু ও পাতলা,০.১-০.৩cm চওড়া।রাসায়নিক পরীক্ষায় এর পাতায় পেক্টোস,লিগনিন, সেলুলোস পাওয়া গিয়েছে।এর মূল ঝাঁঝালো,কিছুটা মিষ্টি।
যেসব রোগের ঔষধ তৈরীতে ব্যবহৃত হয়-
১.ডায়রিয়া
২.ডিসেন্ট্রি
৩.এস ডাইউরেটিক
৪.এজমা
৫.হাইপারডিপসিয়া
অর্থাত্ আধুনিক বিজ্ঞান নিশ্চিত করছে যে হ্যঁ,বেদের বর্ননা অনুযায়ী ই উদ্ভিদটি ডায়রিয়া,ডিসেন্ট্রি ইত্যাদি রোগের প্রতিষেধকরুপে কাজে লাগে!!!
আরো দুটি মজার তথ্য কি জানেন?
শ্রীগীতার ৬.১১ তে যোগেশ্বর শ্রীকৃষ্ণ এই কুশ ঘাসের আসন কে ধ্যন করার জন্য উত্কৃষ্ট হিসেবে বর্ননা করেছেন
এবং ত্রিপিটক অনুযায়ী মহামতি গৌতম বুদ্ধ কুশ ঘাসের আসনে বসেই ধ্যন করতেন!
পবিত্র বেদের এই অতিপ্রাকৃত জ্ঞান ছড়িয়ে দিন সকলের মাঝে!
ওঁ শান্তি শান্তি শান্তি

No comments:
Post a Comment